Pages

Showing posts with label সৃষ্টি রহস্য. Show all posts
Showing posts with label সৃষ্টি রহস্য. Show all posts

Tuesday, September 4, 2018

মধু কেন মিষ্টি হয়?

Natore Bazar - Ghore Bose Barir Bazar



একদা রাসুলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৌমাছিকে প্রশ্ন করলেন, তুমি কি ভাবে মধু তৈরী কর? মৌমাছি বিনয়ের স্বরে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  আমি বাগানে গিয়ে হাজার রকমের ফুলের রস চুষে নেই। পেটের ভিতর একত্রিত ও মিশ্রিত করে বের করলে তা মধুতে পরিণত হয়। 

রাসুলে করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, অনেক ফুলের রস তো টক ও তিক্ত। কিন্তু সব মধু মিষ্টি হয় কেন?

মৌমাছি উত্তরে বললো,

"গুপত চুঁ খানীমে বর আহমদ দরুদ,

মী শুওয়াদ শীরীনে ওয়া তালখী রারে বৌদ।"

অর্থ্যাৎঃ- আমাকে আল্লাহ তায়ালা কুদরতীভাবে শিক্ষা দিয়েছে যে, বাগান থেকে ফুলের রশ নিয়ে বাসায় আসার সময় যেন আপনার উপর দরুদ শরীফ পাঠ করি। আর ঐ দরুদ শরীফের বরকতেই মধু মিষ্টি হয় এবং এ মধু সকল রোগের শেফা হয়।

[মসনবী শরীফ- মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি রহমাতুল্লাহি আলাইহি]

Tuesday, January 9, 2018

কোরআন নাজিলের সময় বৈজ্ঞানিক পরিস্থিত কেমন ছিল?






সপ্তম শতাব্দিতে কোরআন নাযিল হয়। মানুষ তখন প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে কুসংস্কার ও প্রাচীন উপকথায় বিশ্বাসী ছিল।তখন মানুষ মহাবিশ্ব,পদার্থ, জীববিজ্ঞান, মানুষের সৃষ্টি, বায়ুমন্ডলের গঠন এবং জীবন ধারনের প্রয়োজনীয় উপাদান ইত্যাদি সম্বন্ধে সঠিক কিছুই জানতো না। এই যেমন-
সে সময় তারা বিশ্বাস করত যে,
১. পৃথিবী সমতল। গোলাকার নয়।
২. পাহাড় আকাশকে ধরে রাখে। অর্থাৎ পাহাড় হল আকাশের খুটি বা স্তম্ভ।
৩. পৃথিবীর দুই প্রান্তে বিশাল বিশাল পাহাড় আছে।
৪. মানুষের শুক্রানুর ভিতরে ছোট্ট একটা মানুষ থাকে। ওটাই মায়ের পেটে বড় হয়।
৫. বাচ্চার লিঙ্গের জন্য মা দায়ী।
৬. গাছের লিঙ্গ নেই।
৭. কর্মি মৌমাছি হল পুরুষ মৌমাছি।
৮. ব্যাথা লাগে মস্তিস্কে। ইত্যাদি, ইত্যাদি, ইত্যাদি।

এরকম এক সময়, যখন মানুষের জ্ঞান বিজ্ঞানের বহর ছিল ঠিক উপরের অবস্থা সেই সময়েই নাযিল হয়েছিল আল-কোরআন। যাতে শুধু বিজ্ঞানের সাথে রিলেটেড আয়াতের সংখ্যাই আছে হাজারের বেশি। অথচ সেই কোরআনেরই ১ টি আয়াতও পর্যন্ত মিথ্যা প্রমাণিত হয় নি। বরং বিজ্ঞানেরই কিছু ভুল ধারণা পরবর্তিতে সংশোধন করলে দেখা গেছে, তা কোরআনের সাথে মিলে গেছে। এরকমই কয়েকটি উদাহরণ দিয়েই বিষয়ভিত্তিক আলোচনা শুরু করা যাক।

১। আকাশের খুটিঃ
সেই সময়ে নাযিল হওয়া কোরআনে লেখা হল- আকাশের কোন দৃশ্যমান খুটি নেই।

"তিনিই আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলিকে উচুতে স্থাপন করেছেন কোন দৃশ্যমান স্তম্ভ ছাড়া, যা তোমরা বুঝতে পারবে। (সূরা রাদ:২)

আমাদের বিজ্ঞান আজ জানিয়েছে আকাশমন্ডলির কোন দৃশ্যমান স্তম্ভ নেই। এর আছে একটি অদৃশ্য স্তম্ভ-মধ্যাকর্ষন শক্তি! আর কোরআনও বলে দিচ্ছে একই কথা।

২। মহাবিশ্বের আদি অবস্থাঃ

আজকের বিজ্ঞান বলছে মহাবিশ্ব গ্যালাক্সিগুলো তৈরী হওয়ার পূর্বে সব পদার্থগুলো গ্যাসীয় অবস্থায় একত্রে ছিল।চলুন দেখি দেড় হাজার বছর আগের কোরআন এ বিষয়ে কি বলে- পৃথিবী সৃষ্টি সম্বন্ধে বলতে গিয়ে কোরআন বলেছে-
"অত:পর তিনি আকাশের দিকে মনযোগ দিলেন যা ছিল ধুমৃকুঞ্জ, অত:পর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন তোমরা উভয়ে আসো ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল স্বেচ্ছায় আসলাম।" (সূরা হামিম আস সিজদাহ : ১১)।

কিভাবে এই আধুনিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটা কোরআনে এলো!

৩।মহাবিশ্বের প্রসারনশীলতাঃ

"আমি আকাশ নির্মান করিয়াছি আমার ক্ষমতাবলে এবং আমি অবশ্যই মহা-সম্প্রসারণকারী" (সূরা জারিয়াত : ৪৭)

মহাবিশ্ব সম্প্রসারণশীল এটা এই কিছুদিন আগে প্রমানিত হয়েছে। বিজ্ঞানী আরভিন সর্বপ্রথম আলোর লোহিত অপসারন পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রমাণ করেন এ বিশ্বজগত সম্প্রসারিত হচ্ছে, গ্যালাক্সিগুলো একটার থেকে আরেকটা দূরে সরে যাচ্ছে।
 

Blogger news

Blogroll

About